গুণী সংগীতজ্ঞ শচীন দেব বর্মন ও তাঁর ছেলে রাহুল দেব বর্মন। ছবি: ফেসবুক
ছেলেকে নিয়ে শচীনকর্তার নানা অভিযোগ। ছেলে নাকি শুয়ে-বসে সময় কাটায়! শরীরচর্চায় মন নেই। নিজে অবশ্য চলতেন কড়া নিয়ম মেনে। গোছানো জীবনযাপন ছিল। প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বেরোতেন। ছেলেকেও সেই অভ্যাসে আনতে চাইতেন। বকাঝকাও করতেন। এমনই এক সকালে জুহুতে হাঁটতে বেরিয়েছেন শচীনকর্তা। পথে তাঁকে দেখে একজন বলে উঠলেন, ‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’কথাটি শুনে আনন্দে ভরে উঠল বাবার মন। বাড়ি ফিরে ছেলেকে শোনালেন ঘটনাটি।
এত দিন মানুষ তাঁকে চিনেছে এসডি বর্মন হিসেবে। আজ চিনেছে আর ডি বর্মনের বাবা বলে। ছেলের এই পরিচিতি তাঁকে গর্বিত করেছিল।ছোট কর্তা রাহুল দেববর্মন নিজেই ঘটনাটি বলেছিলেন এক সাক্ষাৎকারে। ১৯৮৪ সালের সংখ্যার ‘ফিল্মফেয়ার’-এ প্রকাশিত কথোপকথনেও পাওয়া যায় ছেলের পরিচয়ে বাবার আনন্দিত হওয়ার স্মৃতি। নিজের বিপুল খ্যাতির পাশে সন্তানের পরিচয়টিও সেদিন সানন্দে তুলে নিয়েছিলেন তিনি।আজ আপনাদের শোনাব সেই মানুষটির কথা।
বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে যিনি শচীনকর্তা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।