লানা জাকি নুসাইবার প্রার্থিতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে—একজন নারী কি জাতিসংঘের নেতৃত্বে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে পারেন?
যে প্রতিষ্ঠানের জন্ম যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে, তার নেতৃত্বের সার্থকতা শেষ পর্যন্ত মাপা হয় কত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া থেকে রক্ষা পেল, সেই হিসাবে।জাতিসংঘের মহাসচিবের পদ তাই একই সঙ্গে বিপুল মর্যাদার এবং গভীর অসহায়ত্বের। তাঁকে পৃথিবীর বিবেকের ভাষায় কথা বলতে হয়, অথচ সেই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোকে বাধ্য করার ক্ষমতা তাঁর হাতে থাকে না।
এই বৈপরীত্যের মধ্যেই লানা জাকি নুসাইবার প্রার্থিতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে—একজন নারী কি জাতিসংঘের নেতৃত্বে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে পারেন? আর ব্যক্তির পরিবর্তন কতটা বদলাতে পারে ক্ষমতার পুরোনো কাঠামো?নুসাইবা এখনো মহাসচিব নন। সংযুক্ত আরব আমিরাত তাঁকে ২১ অক্টোবর মনোনীত করেছে এবং ২৭ অক্টোবর তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে জাতিসংঘে উন্মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের পর সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়োগ করে।
ফলে তাঁর সম্ভাব্য বিজয়ের তাৎপর্য আলোচনা করা যায়, কিন্তু নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে বলা যায় না।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।