মাদাগাস্কারের সাহামবানু গ্রামের কয়েকটি আলোকচিত্র অবলম্বনে
ভোর থেকে আমরা ভাসছি মাদাগাস্কারের তিরিসিবিহিনা নদীর স্রোতজলে। আমাদের বাহন—স্থানীয়ভাবে পিরাগ বোট নামে পরিচিত, ইঞ্জিনবিহীন লগি ও বইঠাযুক্ত একাধিক নৌকা। সেলফোনের নেটওয়ার্ক কিংবা ইন্টারনেটের বাইরে আজ আমাদের দ্বিতীয় দিন। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার অনটনে আমার সহযাত্রীদের দুজন কিঞ্চিৎ উসখুস করছেন,বাদবাকি তিনজন এ নিয়ে উচ্চবাচ্য কিছু করেননি।
এ রকম ভেসে ভেসে, পথিমধ্যে তাঁবু খাটিয়ে ক্যাম্পিং করে দিন পাঁচেক পর আমরা ‘সিঙ্গি-দে-বেমারাহা’ নামে অত্যন্ত ইউনিক এক শিলাপাহাড়ে পৌঁছার আশা রাখি।ঘণ্টা খানেক ধরে আমাদের পিরাগ বোটগুলো দহের মতো সম্প্রসারিত হওয়া জলীয় পরিসরে, কচুরিপানা ও বাঁশের চালি থেকে ছিটকে পড়া ভাঙাচোরা টুকরা-টাকরা সামলে কায়ক্লেশে আগ বাড়ছিল। হঠাৎ নদীটি সংকীর্ণ হয়ে ভাটিয়ালি গানের প্রলম্বিত সুরের মতো চোরাস্রোতের টানে ছুটতে শুরু করে মসৃণ গতিতে।
এখানে নদীপাড়ের একদিকে নিবিড় অরণ্য, অন্যদিকে আদিগন্ত প্রসারিত বালুচর।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।