অলংকরণ: মাসুক হেলাল। গ্রাফিকস: প্রথম আলো
‘হাজার হাজার ফড়িং উড়ত। বড় বড় ফড়িং। দেখেন নাই, দাদা? আমরা ফড়িং ধরতাম আর জবাই করতাম। ফড়িংকে আমরা মনে করতাম মুরগি।’বড় বড় ফড়িং। আমি দেখেছি। আমরা বলতাম রাজা ফড়িং। হাজার হাজার ফড়িং-নিবেদিত দৃশ্যও দেখেছি। তবে কোনো ফড়িং জবাই করি নাই কখনো। ফড়িংকে মুরগি মনে করি নাই।‘জবাই করে কী করতা? রান্না করতা?’‘না দাদা। বড় ফড়িং আর কত বড় হইত? ও কি আর রান্না করা যায়?’‘রান্না করা যাবে না কেন?
পৃথিবীর অনেক মানুষ ফড়িং ভেজে খায়।’‘আপনি খাইছেন?’‘পাই নাই, খাই নাই।’‘পাইলে খাবেন?’‘অবশ্যই।’সে বুঝতে পারে নাই সে কত বড় সর্বনাশ করে দিয়েছে। ফড়িংকে মুরগি বানিয়ে দিয়েছে। ফড়িং হইল পক্ষী—কথা আছে বটে। সেটা যে মুরগি, কে জানত। ফড়িংভাজা যদি পেয়ে যাই, আমি কী মনে করে খাব?
চিকেন চিলি ফ্রাই?কোথায় বসে খাব?প্রাগৈতিহাসিক সেই সব গুহার কোনো একটায় হলে ভালো হয়, দেয়ালে মানুষের প্রচুর হাতের ছাপ আর বর্ণাঢ্য বাইসন আঁকা যে কয়েকটা গুহা এখনো অবশিষ্ট আছে।যাই সেই গুহাতে একবার।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।