‘আর এগোনো যাবে না,’ বলল রফিক আহমেদ।স্কাউট কারের ইঞ্জিন বন্ধ করল সে। শুক্র গ্রহের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ওরা। সামনে ওদের খাড়া উঠে গেছে সুউচ্চ এক পাহাড়। পাথুরে পাহাড় বাইতে পারবে না স্কাউট কার।‘পেছাতে হবে আমাদের।’ রফিক বলল সঙ্গীদের।সঙ্গীরা হলো তিনজন বিজ্ঞানী। শুক্র গ্রহের দক্ষিণ মেরুতে গবেষণা করতে এসেছে। পিছু হটতে মোটেও আগ্রহী নয় তারা।
বরকত বিনকিউলার ভেদ করে সতর্ক দৃষ্টিতে নিরিখ করল পাহাড়টা।‘দেখো!’ বলে উঠল। ‘দেখতে পাচ্ছ?’নিজের বিনকিউলারে চোখ রাখল জব্বার আর সালাম।‘কোনো এক সময় পাহাড় থেকে পানির ঢল নামত,’ বলল বরকত। ‘আমরা শুকনো এক জলপ্রপাত দেখতে পাচ্ছি। বলেছিলাম না, এ গ্রহে নদী আছে?’ ভয়ানক উত্তেজিত সে।‘নদী থাকে কীভাবে?’ প্রশ্ন করে রফিক। ‘শুক্র গ্রহে পানি নেই। এতই গরম এখানে, বৃষ্টি পড়তে পারে না।
পানি থাকার প্রশ্নই ওঠে না।’‘কিন্তু এখানে, দক্ষিণ মেরুর কাছে তো বেশ ঠান্ডা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।