নাম তার ময়ুরাক্ষী
কিছু ভ্রমণ শুধু নতুন কোনো জায়গার সঙ্গে পরিচয় করায় না, খুলে দেয় কল্পনার দরজাও। টাঙ্গুয়ার হাওরে তরী ময়ূরাক্ষীর যাত্রা তেমনই—যেখানে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায় হুমায়ূনের গল্প, পাঠকের ভালোবাসা আর এক স্বপ্নের বাস্তব রূপ।কিছু ভ্রমণ শুধু কোনো জায়গায় নিয়ে যায় না, মানুষের ভেতরেও একটা পথ খুলে দেয়। টাঙ্গুয়ার হাওর আমার কাছে ঠিক তেমনই। সেখানে গিয়েছিলাম তরী ময়ূরাক্ষী দেখতে; ফিরে এসেছি গল্প আর অনুভূতি নিয়ে। যে গল্পে আমি একা নই।
আমার সঙ্গে ছিলেন মিসির আলী, হিমু, রূপা, বাকের ভাই, মোনা—আর ছিলেন স্বয়ং হুমায়ূন আহমেদ। ছিলেন তাঁর অসংখ্য পাঠকও, যাঁরা জানেন, কিছু নাম উচ্চারণ করলেই বাস্তবের ভেতর কল্পনার একটা দরজা খুলে যায়। ময়ূরাক্ষী। এই নামটা শুনলেই হুমায়ূন আহমেদের পাঠকদের মনে ভেসে ওঠে হিমুর সেই কল্পনার নদী। যে নদীর ঠিকানা বাংলাদেশের মানচিত্রে নেই, অথচ অসংখ্য পাঠকের মনের ভেতর তার প্রবাহ থেমে নেই।
সেই ময়ূরাক্ষীই টাঙ্গুয়ার হাওরে নতুন অর্থ পেয়েছে তরী ময়ূরাক্ষী হয়ে।এটা শুধু একটি হাউসবোট নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।