সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে গিয়ে দেখি, চোখ কপালে উঠে যাওয়ার মতো অবস্থা। যে জিনিস এত দিন এক কোণে অবহেলায় পড়ে থাকত; ছিল না কোনো মান–সম্মান; ভেতরে গ্যাস আছে কি না, তা যাচাই করার জন্য বাড়ির কর্ত্রী স্টিলের চামচ কিংবা খুন্তি দিয়ে সজোর ‘ঠং ঠং’ করে বাড়ি মারতেন; বেচারা নীরবে–নিভৃতে সেই নির্যাতন সহ্য করে সার্ভিস দিয়ে যেত।
সেই জিনিসকে কিনা এখন চুলার তাকের ওপর এমনভাবে সাজিয়ে–গুছিয়ে তুলে রেখেছে যে খুন্তি দূরের কথা, একটা মশাও বসার সাহস পাবে না!নাশতা খেতে সবাই মিলে বসার পর দেখলাম, আলোচনার হট টপিক এই সিলিন্ডারকে ঘিরেই। আব্বা বলে উঠলেন, ‘যে যা বলবা, বলো।
জীবনে কনসিসটেন্সি বজায় থাকলে একদিন সবাই সফলতার চূড়ায় পৌঁছাবেই; যার বাস্তব উদাহরণ এই এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার।’ নিজের জীবনে আসলেই ধারাবাহিকতার বড্ড অভাব, ভাবতে না ভাবতেই অমনি আম্মা তুলনা করে বললেন, ‘যেভাবে ও জীবনযুদ্ধে এগিয়ে গেছে, সবার মুখে মুখে এখন ওর সুনাম; আর তুই?
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।