চা-বাগানে পাতা তুলছেন ঊষামণি
জন্ম কবে, চা-বাগানে জীবনের কতগুলো শীত-গ্রীষ্ম কাটিয়েছেন, তা জানেন না ঊষামণি। কত বছর ধরে চা-পাতা তুলছেন—এই প্রশ্ন শুনে আঙুলে গুনে বললেন, তাঁর শ্বশুর ছিলেন এই চা-বাগানের শ্রমিক। আজ থেকে তিরিশ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হলে তাঁর বদলি হিসেবে তিনি এই কাজ পেয়েছেন। চা-বাগানে কোনো শ্রমিক অবসরে গেলে কিংবা কোনো কারণে কাজ করতে অক্ষম হলে তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যকে সেই কাজ দেওয়া হয়। ঊষামণি তিরিশ বছর ধরে সেই কাজ করে চলেছেন।
ঋতু বদলায়, গাছের পাতা বদলায়, বদলায় ঊষামণির বয়স। কিন্তু প্রতিদিন ভোরে বাগানের মেঠো পথ ধরে চা-পাতা তুলতে যাওয়ার পথটি তাঁর আর বদলায় না। দিনের শেষে ঘরে ফিরে রান্না ও গৃহস্থালির নানা কাজ; পরের দিনের চিন্তা।
ঘরের বাজার, ওষুধের খরচ কিংবা সারা দিনে কতটা পাতা তুলছেন, সপ্তাহ শেষে কত টাকা মজুরি পাবেন, তার হিসাব মেলাতে মেলাতে হাজির হয় আরেকটি নতুন ভোর।সিলেট শহরতলির লাক্কাতুরা চা-বাগানের ঊষামণির এই গল্প প্রায় প্রত্যেক চা-শ্রমিকের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।