লিওনিদ পাস্তেরনাকের চিত্রকর্ম ‘সৃষ্টির আবেগ’ অবলম্বনে
কবিতা লেখার মুহূর্তে কবির ভেতরে ঠিক কী ঘটে—এই প্রশ্ন যুগে যুগে সাহিত্য আলোচকদের ভাবিয়েছে। কেউ বলেন, কবিতা হৃদয়ের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস, যা যুক্তির নিয়ন্ত্রণকে অস্বীকার করেই জন্ম নেয়। আবার কেউ বলেন, কবিতা নিছক আবেগের বিস্ফোরণ নয়; বরং এক সচেতন নির্মাণ, যেখানে ভাষা, ছন্দ, চিত্রকল্প ও অর্থের স্তর নিয়ে কবিকে ভাবতে হয় প্রকৌশলীর মতোই সতর্কতায়।
বাংলা কবিতার ইতিহাসে এই দুই ধারা বারবার মুখোমুখি হয়েছে, কখনো একে অপরকে খণ্ডন করে, কখনোবা মিলিত হয়ে নতুন এক সৃষ্টিশীলতার জন্ম দিয়েছে।
আজকের বাংলা কবিতা যখন সামাজিক মাধ্যমের তাৎক্ষণিকতা আর প্রচলিত সাহিত্য–প্রতিষ্ঠানের মাঝামাঝি এক অস্থির জায়গায় দাঁড়িয়ে, তখন এই পুরোনো প্রশ্নটি নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে—নিছক হৃদয়ের বিশুদ্ধ আবেগ কি কবিতাকে বহুদূর নিয়ে যেতে পারে, নাকি তার সঙ্গে বুদ্ধির সহযোগ অনিবার্য?আবেগ: কবিতার আদি প্রাণভোমরা কবিতার জন্মকথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে আবেগের কথা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।