নিজের খেলনা ঘোড়ার সংগ্রহশালায় মিরান্ডা ওয়ারবি
ছোট্ট মিরান্ডার খুব ইচ্ছা ছিল একটি ঘোড়া পোষার। এ জন্য মা-বাবার কাছে আবদারও করেছিল। তবে মা-বাবার মন গলেনি। তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, ‘না’। এ আসল ঘোড়া না পাওয়ার দুঃখ থেকেই শুরু হয় এক অদ্ভুত ভালোবাসার গল্প, যাতে তাঁর নাম উঠেছে বিশ্ব রেকর্ডের খাতায়।মিরান্ডা ওয়ারবি যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আসল ঘোড়া না পেয়ে শিশু মিরান্ডা নিজের খুশি খুঁজে নেয় প্লাস্টিকের খেলনা ঘোড়া ‘মাই লিটল পনি’তে।
সেই যে গোলাপি রঙের ‘স্নোফ্লেক’ নামের প্রথম খেলনা ঘোড়া মিরান্ডা হাতে পেয়েছিলেন, এর পর থেকে তাঁর খেলনা ঘোড়ার সংগ্রহ বেড়েই চলেছে। তাঁর সংগ্রহশালায় এখন ৪ হাজার ৫৫০টি ‘মাই লিটল পনি’। এ বিরল ও বিশাল সংগ্রহের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে মিরান্ডার নাম উঠেছে।মিরান্ডা জানান, কখনো তিনি নিজে পছন্দ করে ঘোড়া কিনেছেন, কখনো উপহার পেয়েছেন। একসময় পুতুল ঘোড়া জমানো তাঁর নেশায় পরিণত হয়।
১৯৯৭ সালের দিকে ইন্টারনেট যখন ঘরে ঘরে পৌঁছাতে শুরু করে, তখন তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুতুল ঘোড়া সংগ্রহ করা শুরু করেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।