অলংকরণ: মাসুক হেলাল। গ্রাফিকস: প্রথম আলো
কালো কাঠের লম্বা ল্যাম্পস্ট্যান্ডটিকে মাতৃভাষায় কে কী বলতে পারে? কেউ বলল, ‘প্রদীপস্ট্যান্ড’—আধা বাংলা, আধা ইংলিশ। কেউ খাঁটি বাংলা ‘দীপাধার’ বা ‘প্রদীপাধার’ বলতেও ছাড়েনি। একজন বলল ‘দীপস্তম্ভ’। বাড়ির কর্ত্রী, যিনি দাদার বাড়ির অন্যূন পঞ্চাশ বছরের পুরোনো স্ট্যান্ডটি অ্যান্টিক হিসেবে রাখবেন বলে নিয়ে এসেছিলেন, তিনি বললেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়িতে তো এটাকে ‘কুপিদানিই’ বলত।
এই যে দেখছ, এর গোল মাথাটি, এর ওপর সন্ধ্যা হতেই একটা পিতলের কুপিবাতি জ্বলত। আর কেরোসিন খেয়ে খেয়ে কাপড়ের সলতেটি কালো ধোঁয়া ছাড়ত। উঠানে খোলা আকাশের নিচে জ্বললে কিছুই হতো না; ঘরের ভেতরে বেশিক্ষণ জ্বলতে থাকলে আলনার কাপড়ে ধোঁয়া থেকে ওড়া ভস্মের স্তর জমত। তোমরা এসব কিছুই দেখোনি।’‘মা, আমি গ্রামে যাব।’ অনন্ত বলল।‘গেলেই কী? এখন কি আর এসবের প্রচলন আছে?
এমনকি কোনো হতদরিদ্র গ্রামেও একটা হারিকেন পর্যন্ত জ্বলে না।’‘এই কুপিবাতির আলো দেখতে কেমন ছিল?’‘সব বাতির আলোর রংই এক।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।