ফ্রান্সে ঘটে যাওয়া বিক্ষোভের একটি ছবি অবলম্বনে
আজ সকালেই কথা হচ্ছিল বন্ধু এমদাদ রহমানের সঙ্গে। দীর্ঘদিন সে প্যারিসে বাস করে আসছে। এখনকার মতো এত বাজে পরিস্থিতি আগে কখনো দেখেনি। শনিবার ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্যারিসের আফ্রিক, তিউনিসীয় আর আলজেরীয় তরুণেরাই সবচেয়ে সহিংস হয়ে উঠেছে। রয়টার্স একে দেশটির কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সহিংসতাগুলোর একটি বলেছে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।
কয়েক লাখ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করেছেন, আর সহিংসতা ঘটিয়েছে তুলনামূলক ছোট কিছু গোষ্ঠী। অর্থাৎ ‘প্যারিসে দাঙ্গা’ কথাটা আংশিক সত্য। এটি একটি বিশাল গণ–আন্দোলন, যার প্রান্তে বা ভেতরে সহিংসতা ঢুকে পড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে সারা দেশে প্রায় ৫,৫০,০০০ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন, প্যারিসে প্রায় ১,১০,০০০। সিজিটি ইউনিয়ন বলছে সংখ্যাটা ৮,০০,০০০।
রয়টার্সের তুলনা অনুযায়ী এই জমায়েত ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের চূড়ার চেয়ে বড়, কিন্তু ২০২৩ সালের পেনশনবিরোধী আন্দোলনের চেয়ে ছোট।শিক্ষকস্বল্পতা আর জীর্ণ অবকাঠামো নিয়ে ক্ষোভ ক্রমে বৈষম্য, সরকারি ব্যয় ও জীবনযাত্রার মানের বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।