সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীতে বালুমহালের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সোমবার বিকেলে তোলা
কোনো দরপত্র ছাড়াই সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর দুটি বালুমহালের দখল তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির মিয়াকে বুঝিয়ে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ আদেশে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ হিসেবে বিবেচনা করে গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁকে জেলার সর্ববৃহৎ এই মহাল দুটির নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়। সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত নাছির মিয়া ২০২৭ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সেখান থেকে বালু উত্তোলনের সুযোগ পাচ্ছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৪৩২ বাংলা সনে নাছির মিয়া ও শাহ রুবেল আহমদ ১০৮ কোটি টাকায় মহাল দুটি ইজারা নিয়েছিলেন। তবে মামলাসংক্রান্ত কারণে পাঁচ মাস পর দখল পাওয়ায় মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে তাঁরা আদালতে যান। আপিল বিভাগে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত নন মর্মে আদেশ এলে বালু উত্তোলন বন্ধ করে বিজ্ঞপ্তি দেয় প্রশাসন। পরবর্তীতে দুই ইজারাদার মন্ত্রণালয়ের শরণাপন্ন হলে ২২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয় ৪২ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২২ টাকা রাজস্ব নির্ধারণ করে কেবল নাছির মিয়াকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেয়।
মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট ও স্থগিতাদেশের প্রক্রিয়া শেষে শেষ পর্যন্ত নাছির মিয়াকেই মহাল দুটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তাপস শীল জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ীই দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সাবেক এক ইজারাদারের মতে, দরপত্র আহ্বান বা খাস আদায়ের উদ্যোগ না নিয়ে এভাবে বিশেষ আদেশে অনুমতি দেওয়া যথাযথ হয়নি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।