একটা যন্ত্র কীভাবে এমন অনুভূতির ছোঁয়া দিয়ে সুর সৃষ্টি করে?
বিকেলের অলস সময়ে কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় কোনো গান শোনার অনুভূতির কথা ভাবুন তো! হঠাৎ যদি জানতে পারেন, যে সুরটা শুনে আপনার মন ভালো হয়ে গেল, যে গানের কথাগুলো আপনাকে ছুঁয়ে গেল, তার কোনোটিই কোনো মানুষ লেখেনি! পুরো গানটি বানিয়েছে একটা মেমোরি চিপ আর কিছু গাণিতিক কোড।কথাটা শুনে কেমন একটু খটকা লাগছে, তাই না? আমরা এত দিন ধরে জেনে এসেছি, ছবি আঁকা, গল্প লেখা কিংবা সুর বাঁধার মতো কাজগুলো কেবলই মানুষের অনুভূতির প্রকাশ।
কিন্তু গত কয়েক মাসে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে এমন এক বিপ্লব এসেছে, যা আমাদের এই পুরোনো ধারণাকে বড়সড় ধাক্কা দিচ্ছে। আজকের গল্পটা এআইয়ের সেই নতুন মিউজিক্যাল জাদু নিয়েই।
বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হচ্ছে জেনারেটিভ অডিও এআই।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে মৃত্যু হতে পারে ১০০ কোটি মানুষের, সতর্ক করলেন বিল গেটসএআইয়ের ভেতরে থাকা নিউরাল নেটওয়ার্ক এই কোটি কোটি গান বিশ্লেষণ করে দেখেছে, কোনো মেলোডি বা সুরের পর কোন নোটটা বসালে মানুষের শুনতে ভালো লাগে।৩ মিনিটে আস্ত একটা গান!আপনি হয়তো এর মধ্যেই টেক্সট বা ছবি তৈরির এআইয়ের কথা শুনেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।