ঢাকার উত্তরে আশুলিয়ায় হা–মীম গ্রুপের পোশাক কারখানায় তখন বেলা ১১টা। প্রতিটি তলায় চলছে বিরামহীন কর্মযজ্ঞ। শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত কাটিং মেশিনে ডেনিম কাপড় কেটে নিখুঁত মাপের টুকরা তৈরি করা হচ্ছে। পাশেই কর্মীরা সেসব কাপড় সেলাই করে বানাচ্ছেন জিনস, স্কার্ট ও জ্যাকেট।এরপর কাপড় ধোয়া, ইস্তিরি করা, বোতাম ও চেইন লাগানোর কাজ। সবশেষে যুক্ত হচ্ছে ব্র্যান্ডের লেবেল। এরপর কিছু কর্মী তৈরি পোশাক বাক্সে ভরছেন।
হা–মীম গ্রুপের বড় গ্রাহকদের মধ্যে আছে গ্যাপ, আমেরিকান ইগল ও জেসি পেনি। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে ৯৩ লাখ পোশাক তৈরি করে।কিন্তু হঠাৎ আলো কেঁপে উঠল। মুহূর্তের জন্য কর্মযজ্ঞ অন্ধকারে ডুবে গেল। পরক্ষণেই আবার আলো জ্বলে উঠল; সঙ্গে চালু হলো বিকট শব্দের চারটি ডিজেল জেনারেটর।
গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায় এসব জেনারেটর।বিশ্বজুড়ে জ্বালানিসংকটের পেছনে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দায়ী হলেও বাংলাদেশের সংকটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিজস্ব রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতা।হা–মীম গ্রুপের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান তনুল চক্রবর্তী বলেন, ‘বাংলাদেশে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের অবস্থা খারাপ, ঘন ঘন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।