কোরআনের অন্তত ২০টি স্থানে খেজুরের কথা বলা হয়েছে
মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিরহস্য, নেয়ামত ও কুদরতের নিদর্শন বোঝাতে কোরআনে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান, প্রাণী এবং উদ্ভিদের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে বিশেষ কয়েকটি ফলের কথা কোরআনে এসেছে, যেগুলো সুস্বাদু ও পুষ্টিকর যেমন; তেমন বরকতময়।বেহেশতের অধিবাসীদেরও এই সকল ফল–ফলাদি পরিবেশন করা হবে বলে কোরআনে বর্ণিত হয়েছে।
প্রধান ৬টি ফলের আলোচনা করা হলো।১. খেজুর: বেহেশতের উৎকৃষ্ট ফল কোরআনে সবচেয়ে বেশিবার যে ফলের নাম এসেছে, সেটি হলো খেজুর বা ‘নাখল’।
মরুভূমির তপ্ত পরিবেশে খেজুর কেবল একটি সুস্বাদু ফলই নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আহার।কোরআনের অন্তত ২০টি স্থানে খেজুরের কথা বলা হয়েছে।মরিয়ম (আ.) যখন সন্তান প্রসবের বেদনায় কাতর ছিলেন, তখন আল্লাহ তাঁকে খেজুর খাওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, ‘তুমি তোমার দিকে খেজুরগাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও, তা থেকে তোমার ওপর সুপক্ব তাজা খেজুর ঝরে পড়বে।’ (সুরা মরিয়ম, আয়াত: ২৫)কোরআনের অন্তত ২০টি স্থানে খেজুরের কথা বলা হয়েছেইবনুল কাইয়িম আল-জাওজিয়্যা লিখেছেন, খেজুর একই সঙ্গে খাদ্য, পানীয়, মিষ্টি এবং ওষুধ হিসেবে কাজ করে, যা শরীরকে সতেজ করার পাশাপাশি প্রসূতি মায়ের শারীরিক শক্তি দ্রুত ফিরিয়ে আনে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।