যুবদল নেতা রামিম বিশ্বাসকে ২৪ অক্টোবর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন
একের পর এক হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই, পূর্বশত্রুতা এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ কাজ করেছে।কখনো প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, কখনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন বা জখম, আবার কখনো বাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ। ছিনতাইয়ের মতো অপরাধেও ব্যবহৃত হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে খুলনা মহানগর ও জেলায় ৭১ জন খুন হয়েছেন।
এর মধ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ২৩ জনকে। অন্যদের কুপিয়ে বা পিটিয়ে খুন করা হয়েছে।৭১ খুনের ঘটনায় গত প্রায় ১০ মাসে খুলনা মহানগর ও জেলায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। এর কারণ একটি ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই, পূর্বশত্রুতা এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ কাজ করেছে।সর্বশেষ ২২ অক্টোবর খুলনা নগরে ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ওই দিন সকালে পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় তাওহিদুল ইসলাম নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।