২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের কার্যালয়ের এক পর্যালোচনায় বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরানে সবচেয়ে বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আছে
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত হয়েছেন শতাধিক বেসামরিক মানুষ। পোল্যান্ড সতর্ক করেছে, ইউরোপের ভেতরেও রুশ নাশকতায় প্রাণহানি ঘটতে পারে। আর চীনের উপকূলজুড়ে চলেছে টানা ছয় দিনের সামরিক মহড়া। অক্টোবরের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিম ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চল কয়েক দশক ধরে শান্তিপূর্ণ ছিল।
এখন সেখানেও যুদ্ধের পদধ্বনি স্পষ্ট।ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের হিসাবে বিশ্বে এখন ৬৫টি সংঘাত চলছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীতে চলমান সংঘাতের এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এমন পরিস্থিতিতে একটি স্পর্শকাতর প্রশ্ন বারবার সামনে আসছে, বিশ্ব কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে? ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রধান কূটনৈতিক ভাষ্যকার গিডিয়ন র্যাকম্যানের মতে, এর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি কোনো পূর্বপরিকল্পিত যুদ্ধ নয়।
আসল শঙ্কা হলো, পরাশক্তিগুলোর একটি ভুল সিদ্ধান্ত থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ।যুদ্ধের বাস্তবতা কীভাবে বদলে যায়, তা বোঝাতে ২০২২ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদাহরণ দিয়েছেন র্যাকম্যান।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।