জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে ককাসের প্রথম বৈঠক। শেরেবাংলা নগর, ঢাকা। ৪ নভেম্বর ২০২৬
দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনা পর্যালোচনা করবে মানবাধিকার ও শান্তিবিষয়ক সংসদীয় ককাস। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করবেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেসব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা-ও পর্যবেক্ষণ করবে এই ককাস।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে এই ককাসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ককাসের চেয়ারপারসন ফাহিমা নাসরিন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সিদ্ধান্তে ২ নভেম্বর এই সংসদীয় ককাস গঠন করা হয়।ককাসের শাব্দিক অর্থ হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে একমত হওয়া একটি দল। সংসদীয় ককাস হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা নীতিকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম।
এটি সংসদের কোনো স্থায়ী কমিটি বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ককাসের পৃষ্ঠপোষক জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বৈঠকে অংশ নেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।