আমার মা খুব শিক্ষিত ছিলেন না, কিন্তু সচেতন ছিলেন—এই কথাটি বলে লেখা শুরু করছি। গল্পটি অনেক আগের, তখন আমি মাত্র কলেজে উঠেছি। পড়াশোনা নিয়ে বেশ চাপের মধ্যে থাকতেই হয়। খুলনা সেন্ট জোসেফসের ছাত্র হিসেবে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হতো সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য। প্রতিদিনের হোমওয়ার্ক তো আছেই। ছাত্র হিসেবে মেধাবী ছিলাম না; কিন্তু চেষ্টা করেছি একটু ভালো করার।
বিদ্যালয় থেকে মহাবিদ্যালয়ে প্রবেশ করে নতুন এক জগতের সঙ্গে পরিচয় হলো। ছোটবেলা থেকে পত্রিকা পড়ার শখ। বিকেলে প্রাইভেট শেষ করে ঢুকে যেতাম বাসার কাছে উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরিতে। পুরো পত্রিকা পাওয়া যেন ছিল ভাগ্যের ব্যাপার। হয়তো কখনো প্রথম পাতা পেতাম, আবার কখনো মাঝের পৃষ্ঠা, অপেক্ষা করে খুঁজে আনতে হতো বাকি অংশ।টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে অনেক সময় পত্রিকা কিনতাম বিশেষ কোনো সংখ্যা নিজের সংগ্রহে রাখার জন্য।
সেগুলোকে রেখেছি অনেক যত্নে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।