advertisement
advertisement

‘টাহার চোখ দ্যাখলে আর ল্যাহাপড়া হয় ন’


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ
‘টাহার চোখ দ্যাখলে আর ল্যাহাপড়া হয় ন’

ট্রলার নিয়ে সুন্দরবন থেকে গ্রামে ফিরছে তিন কিশোর আবু বক্কর, মুছা সওদাগর ও শাহজাহান। ২৪ অক্টোবর দুপুরে সুন্দরবনের শ্যালা ও পশুর নদের মোহনায়

advertisement

জয়মনির ঘোলের ঠোটা গ্রামের প্রায় সব পরিবারই নদী আর বনে মাছ-কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করে।শ্যালা নদীর ভাঙনে বিলীন ঘরের একটি অংশ। তারই পাশে কংক্রিটের একটুকরার ওপর রাখা ছোট্ট মাটির চুলা। সেখানে প্লাস্টিকের কৌটা আর চামচ নিয়ে খেলছিল পাঁচ বছর বয়সী লাবিবা আক্তার। পেছনে সুন্দরবনের ওপর তখন সবে সূর্য উঁকি দিচ্ছে। এরই মধ্যে মায়ের ডাক শুনে দৌড়ে গেল লাবিবা।২৪ অক্টোবর সকাল পৌনে ৭টার চিত্র এটি।

মায়ের কাছ থেকে ছোট কলসিটা নিয়ে হেলেদুলে হেঁটে চলল লাবিবা। পেছনে মা কুলসুম আক্তার (২৫)। এক হাতে দুটি বড় কলসি, অন্য হাতে ১৩ মাস বয়সী ছেলে জিসান খানকে জড়িয়ে কোলে নিয়েছেন। নদীর তীরের সরু রাস্তা ধরে সুপেয় পানি আনতে ২০০ মিটার দূরে যাচ্ছিলেন তাঁরা।পানি নিয়ে ফেরার পর কথা হয় কুলসুমের সঙ্গে। বললেন, ‘পানির কষ্ট তো সামনে। এহনও নদীর পানিতে লবণ তেমন হইনি। দুই-তিন মাস পর তো কড়া লবণ হবেনে।

তহন সব পানিই (গোসল ও রান্নার) টাইনে আনা লাগবেনি।’কুলসুমদের বাড়ি সুন্দরবন-লাগোয়া বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনির ঘোলের ঠোটা এলাকায়।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর