মস্তিষ্কের কাজ খুবই জটিল। এর রয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি নিউরন
কোনো কোনো ক্ষেত্রে পারে। অবশ্য হাত-পা বা অন্য কোনো অঙ্গে ছোটখাটো ব্যথা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সারিয়ে নেওয়ার উপায় শরীরের মধ্যেই থাকে। সে অর্থে শরীর বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিজের ডাক্তারি নিজেই করে। কিন্তু মস্তিষ্কের বিষয় ভিন্ন। মাথায় সামান্য আঘাতেই মানুষ জ্ঞান হারায়। তার পরও কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার নিজস্ব ব্যবস্থা মস্তিষ্কের রয়েছে। এখন পর্যন্ত মস্তিষ্কের কাজ সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জানার পরিধি খুব সীমিত।
আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এমআরআই, ইইজি বা অন্য কোনো উপায়ে মস্তিষ্কের কাজের ধারা সম্পর্কে আমরা যতটুকু জানতে পারি, তা সাগরের একবিন্দু পানির মতো। মস্তিষ্কের কাজ খুবই জটিল। এর রয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি নিউরন। এগুলো বৈদ্যুতিকভাবে সক্রিয় কোষ। প্রতিটি নিউরন তার চারপাশের হাজার হাজার নিউরনের সঙ্গে যুক্ত। নিউরনগুলো ত্বরিত প্রবাহের ছোট ছোট বর্তনীর মাধ্যমে সংকেত আদান-প্রদান করে।
এই সংকেতগুলো রাসায়নিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়ে অন্য নিউরনগুলোর সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।