রান্নাঘরে খাবার তৈরির স্থানে শুয়েছিল বিড়াল। জিইসি এলাকার আল-হেলাল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে গত আগস্ট মাসে
দুই দিন ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছিলেন চট্টগ্রাম নগরের খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা নুরুল আবছার। ডাবের পানি ও খাবার স্যালাইন খেয়েও সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে যান এলাকার গাউসুল আজম আরবান ডিসপেনসারিতে। গত মঙ্গলবার সকালে ওই ডিসপেনসারির সামনে কথা হয় নুরুল আবছারের সঙ্গে। পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী রেহানা বেগম।
তিনি জানান, অফিসের কাজে বাইরে থাকায় তাঁর স্বামীকে প্রায় প্রতিদিনই হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খেতে হয়। দুই দিন আগে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। নুরুল আবছারের অসুস্থতার কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তাঁর মতো চট্টগ্রাম নগরের অনেক মানুষই প্রতিদিনের খাবারের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভর করেন।
কর্মজীবী মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও নানা কাজে নগরে আসা লোকজনও এসব প্রতিষ্ঠানে খাবার খান।সম্প্রতি নগরের বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় সরকারি সংস্থার অভিযানে খাবার তৈরি ও সংরক্ষণে নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।