সই করার পর জুলাই জাতীয় সনদ হাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
প্রকাশ্য দিবালোকে এক ব্যক্তিকে ঘিরে লগি-বইঠা দিয়ে পেটাচ্ছেন কয়েকজন। নিথর দেহের ওপর উঠে লাফালাফির দৃশ্যও ছড়িয়ে পড়ে। চারদিকে গুলি, বোমার বিস্ফোরণ, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। রাজধানীর পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকা পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে। রাজনৈতিক সহিংসতার এমন ভয়াবহ দৃশ্য স্তম্ভিত করেছিল দেশকে।দিনটি ছিল ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর। কেবল ঢাকা নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে সেদিন রাজনৈতিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার আগের দিন বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে তখন তীব্র রাজনৈতিক সংকট চলছিল।সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, তা নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন দুই জোটের বিরোধ তখন চরমে। সংলাপে সমঝোতা হয়নি। দুই পক্ষই প্রস্তুতি নিচ্ছিল রাজপথে শক্তি দেখানোর।
সেদিন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা-কর্মীরা ‘লগি-বইঠা’ নিয়ে রাজপথে নেমেছিল।সেই রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যে রক্তাক্ত হয় রাজধানীর পল্টন এলাকা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।