উপকূলের পানিবন্দী জীবন
আশাশুনির কোনো আশা নেই। এমনটাই বলেন প্রায়–হতাশ জলবায়ুবিশেষজ্ঞরা। সাতক্ষীরায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকাগুলোর মধ্যে আশাশুনি অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনের চাপে আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়ন তার ২৩টি গ্রাম নিয়ে ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। আশাশুনির শিশু–কিশোরদের সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম, হারিয়ে যাচ্ছে মানে নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে এমন নয়। ওখানকার মানুষেরা চলে যাচ্ছে অন্য কোথাও। ২৩ গ্রামের এক গ্রাম হাওলাদার পাড়ায় থাকেন তামান্না সুলতানা।
সেখানে কত দিন থাকা যাবে, সেটা কেউ বলতে পারে না। হাওলাদার পাড়ার লাগোয়া হরিশখালী, কুড়িকাহুনিয়া, শ্রীপুর, বনতলা, দিঘলারাইট আস্তে আস্তে খালি হয়ে যাচ্ছে। এসব গ্রামের পুরুষেরা কাজের খোঁজে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ চলে যাচ্ছে। মেয়েরা যাচ্ছে যশোর। মেয়েরা কেন যশোর যাচ্ছে?—এ প্রশ্নে তামান্না, শাকিব, সুচনা, হালিম পরস্পর মুখ চাওয়াচাওয়ি করে।
পেছন থেকে কেউ একজন বলে, ‘ওখানে মেলা তেল।’ তামান্না বলে, মেয়েরা যায়, আবার ফিরে আসে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।