প্রকৃতিতে সবকিছু সব সময় পুরোপুরি সমান থাকে না। মাঝেমধ্যে সামান্য এদিক-ওদিক হয়। কিন্তু সেই ছোট্ট পার্থক্য বারবার বাড়তে থাকলে একসময় সেটিই হয়ে উঠতে পারে বড় কোনো পরিবর্তনের কারণ। অণুর জগতেও এমন ঘটনা ঘটে। একই রাসায়নিক পদার্থের দুটি অণু দেখতে হুবহু একই রকম হতে পারে। অথচ একটি হতে পারে অন্যটির আয়নার প্রতিবিম্ব। পার্থক্য শুধু এটুকুই। কিন্তু এই সামান্য পার্থক্যই মাঝেমধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
একটি অণু কাজে লাগতে পারে ওষুধ তৈরিতে, অন্যটি হয়ে উঠতে পারে ক্ষতিকর।এই রহস্যের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০২৬ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগান এবং জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোআই। তাঁদের গবেষণা দেখিয়েছে, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শুরুতে থাকা সামান্য অসমতাকে কীভাবে অনেক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া যায়। এমনকি একটি অণু কীভাবে নিজের মতো আরও অণু তৈরি হতে সাহায্য করতে পারে, সেটিও তাঁরা দেখিয়েছেন।
রসায়নের জগতে আপাতদৃষ্টিতে ছোট এই ঘটনাগুলো কীভাবে বড় হয়ে ওঠে, তাঁদের কাজ আমাদের সেই রহস্য বুঝতে সাহায্য করেছে।রসায়নের ডান–বাম রহস্য সমাধান করে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানীওষুধ বানানোর সময় অণুর একটি রূপ হয়তো জাদুর মতো রোগ সারিয়ে দিল; কিন্তু প্রতিবিম্ব রূপটি কোনো কাজ তো করবেই না, উল্টো শরীরের চরম সর্বনাশ করে ফেলতে পারে!দুইএকটা সহজ উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা আরও ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।