এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে শুধু কত দ্রুত বা কত বেশি কাজ করা গেল, সেটিই বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়। কাজটি কতটা নির্ভুল, প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর—সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ
ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন রায়হান (ছদ্মনাম)। আগে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে তাঁর চার ঘণ্টার মতো সময় লাগত। তথ্য খোঁজা, বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রয়োজনীয় উপাত্ত সংগ্রহ, খসড়া তৈরি ও সম্পাদনা—সব মিলিয়ে বেশ সময় চলে যেত। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় একই কাজ এক ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে পারেন তিনি।কিন্তু তাতে রায়হানের কাজের চাপ কমেনি।
বরং বাকি তিন ঘণ্টায় তাঁকে আরও দুটি প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়, নতুন কিছু দায়িত্বও সামলাতে হয়। দিন শেষে আগের মতোই ক্লান্তি নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।রায়হানের অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—প্রযুক্তি যদি কম সময়ে বেশি কাজ করার সুযোগ দেয়, তাহলে মানুষের হাতে অবসর সময় বাড়ছে না কেন?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই কাজ সহজ করছে, নাকি একই সময়ে আরও বেশি কাজ করার প্রত্যাশা তৈরি করছে?এআই নিয়ে আশাবাদীদের ধারণা, এই প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াবে, নিয়মিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের চাপ কমাবে এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবনের জন্য আরও সময় তৈরি করবে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।