পৃথিবীর যে যে অঞ্চলে বাতিঘর রয়েছে, সেখানেই এমন ভুতুড়ে দৃষ্টিবিভ্রমের কথা শোনা যায়। তবে এই রহস্য নিয়ে গবেষণা করার জন্য অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশেষ দ্বীপ সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা বলে প্রমাণ করেছেন গবেষকেরা।বাতিঘরের আশপাশে থাকা মানুষ প্রায়ই বিভ্রান্ত হয়। তাদের মনে হয়, বাতিঘরের আলোটি পেছনের স্থলভাগ থেকে আসছে না, বরং সমুদ্রের মাঝখানে কোথাও ভাসছে। অথচ তারা ভালো করেই জানে যে এটি অসম্ভব।
এই অদ্ভুত ঘটনাকে বলা হয় ‘ফ্যান্টম লাইটহাউস’ বা ‘ভুতুড়ে লাইটহাউস’ বিভ্রম।এই দৃষ্টিবিভ্রম নিয়ে সম্প্রতি নতুন গবেষণা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এমন এক ব্যাখ্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা শুধু বাতিঘর নয়, আরও অনেক দৃষ্টিবিভ্রমের ক্ষেত্রেও সত্য।
দিগন্তের কাছাকাছি এলে চাঁদকে কেন অনেক বড় দেখায়, তার পেছনেও একই কারণ কাজ করে।অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত ‘লেডি এলিয়ট’ দ্বীপে এই দৃষ্টিবিভ্রম এত প্রবল যে পর্যটকদের গাইডবইয়েও এর কথা লেখা আছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।