রেজাল্টের দিন সকাল ১০টা বাজার আগে থেকেই শুরু হয় আরেক মহাযুদ্ধ। যেসব দূরের আত্মীয়কে বিয়েবাড়ি বা মেজবানের রোস্ট-কোরমা ছাড়া দুরবিন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না, ঠিক রেজাল্টের দিন সকালে তাঁদের মুঠোফোন থেকে অটোমেটিক কল চলে আসে!উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি—শব্দটা শুনলেই স্টুডেন্টদের বুকে একটি চাপা ভয় কাজ করে। আর সেই ভয়ের চূড়ান্ত রূপ হলো ‘বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট’!
জীবনে যত বড় সাহসী মানুষই হোন না কেন, রেজাল্টের দিন ঘনিয়ে এলে বুকের ভেতরে একটি অটোমেটিক ব্যথা শুরু হয়।রেজাল্ট প্রকাশের তিন দিন আগে থেকেই শুরু হয় আসল ট্র্যাজেডি। মুখের স্বাদ চলে যায়, পেটের ক্ষুধা উধাও হয়ে যায়; আর রাতের ঘুম তো রীতিমতো ইস্তফা দিয়ে চলে যায়।ঠিক এই সময়টায় মাথায় দুনিয়ার যাবতীয় আজগুবি আর ভয়াবহ চিন্তা ভর করে। হঠাৎ মাঝরাতে মনে হয়, ‘আরে! ইংরেজি খাতায় রোল নম্বরটার ঠিকমতো গোল্লা ভরাট করেছিলাম তো?
রেজিস্ট্রেশন নম্বরের জায়গায় আবার ভুল করে রোলের গোল্লা ভরাট করে আসিনি তো?
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।