কর্মচারীর সুরক্ষা কেবল সামাজিক ন্যায় নয়, প্রতিযোগিতা-সক্ষমতারও শর্ত।
সম্প্রতি সংবাদপত্রে একটি প্রশ্ন উঠে এসেছে, যা নিয়ে আমারও কিছু বলার আছে: বেসরকারি খাতের কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত ‘মডেল চাকরি প্রবিধানমালা’ কি সত্যিই সুরক্ষা দেবে, নাকি ঘুরপথে বিদ্যমান সুবিধাই ছেঁটে ফেলবে? প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই খসড়া দেশের এমন এক বিশাল কর্মীগোষ্ঠীকে ঘিরে, যাঁরা এত দিন কার্যত কোনো আইনি ছাতার নিচে ছিলেন না।আমাদের শ্রম আইন মূলত শ্রমিকদের রক্ষা করে।
কিন্তু বেসরকারি কোম্পানি, ব্যাংক-বিমা, আইটি, এনজিও, ট্রেডিং হাউস কিংবা সেবা খাতের লাখো বেতনভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী শ্রম আইনের ২(৬৫) ধারার শ্রমিকের সংজ্ঞার বাইরে।তাঁদের চাকরির নিরাপত্তা, বকেয়া পাওনা, ছুটি কিংবা অভিযোগের প্রতিকার, সবই নির্ভর করে একটি নিয়োগপত্র আর সাধারণ চুক্তি আইনের ওপর। এই শূন্যতা পূরণের উদ্যোগ তাই স্বাগত জানানোর মতো।
প্রশ্ন হলো, উদ্যোগটি কতটা কর্মচারীবান্ধব হচ্ছে।বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি: লাভের চেয়ে ক্ষতির ঝুঁকি কি বেশি?খসড়ায় ভালো দিক আছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।