সার সংগ্রহ করতে ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে কৃষকদের দীর্ঘ সারি। গত ১০ সেপ্টেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা এলাকায়
গ্রামের নাম নিশ্চিন্তপুর। এই গ্রামের কৃষকেরা চাহিদামতো সার পাওয়া নিয়ে ‘নিশ্চিন্ত’ থাকতে পারছেন না। কেন এই পরিস্থিতি, সেটি বোঝা যাবে কৃষক জহিরুল ইসলামের কথায়। তিনি এই মৌসুমে আমন, কলা, করলা, পেঁয়াজ, ফুলকপি ও শসার আবাদ করছেন। তাঁর জমির পরিমাণ ৮ বিঘা। এর মধ্যে আমন ধান চাষ করছেন এক বিঘা জমিতে।মেহেরপুর সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের এই কৃষক চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো সার দিতে না পেরে বেশ চিন্তিত।
তাঁর সঙ্গে প্রথম আলো কথা বলেছে গত ২৭ সেপ্টেম্বর। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সার কিনতে পাশের গ্রাম উজলপুরে ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। সেদিন সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুরের দিকে পেয়েছেন ৫০ কেজি টিএসপি সার। পরে পেঁয়াজের জমিতে ৩০ কেজি এবং করলার জমিতে ২০ কেজি সার দিয়েছেন।
জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘৮ বিঘা জমিতে মাত্র ৫০ কেজি সার দিয়ে কীভাবে ফসল ফলাব?’কথায়–কথায় এই কৃষক আরও বললেন, বাড়তি টাকা খরচ করে অন্যভাবে কিছু সার তিনি ‘ম্যানেজ’ করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।