কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে কয়েক বছর আগেও যা ছিল কল্পনার বিষয়, আজ তা প্রায় স্বাভাবিক অভ্যাস।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে কয়েক বছর আগেও যা ছিল কল্পনার বিষয়, আজ তা প্রায় স্বাভাবিক অভ্যাস। একটি চিঠি লেখা, দীর্ঘ প্রতিবেদন সংক্ষেপ করা, কঠিন বৈজ্ঞানিক বিষয় বোঝা, ছবি তৈরি করা, সংগীত পরিবেশনা, অনুবাদ করা, কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখা কিংবা কোনো সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করা—সবকিছুতেই এখন এআই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সাহায্য করতে পারে।
এই প্রযুক্তি নিঃসন্দেহে মানুষের জ্ঞানচর্চার এক অসাধারণ নতুন হাতিয়ার। কিন্তু এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে এসেছে—আমরা যদি চিন্তা, স্মরণ, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধানের কাজ ক্রমাগত এআইয়ের হাতে ছেড়ে দিই, তাহলে আমাদের নিজস্ব মস্তিষ্কের এসব ক্ষমতার কী হবে?
প্রশ্নটি এআই-বিরোধিতার নয়; বরং মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যে কাজের সীমানা কোথায় হওয়া উচিত, সেই প্রশ্ন।এআই কি এশিয়ার তরুণদের চাকরি কেড়ে নেবেমস্তিষ্কের কাজ যন্ত্রের হাতে তুলে দেওয়া: ‘কগনিটিভ অফলোডিং’ মানুষ বহু যুগ ধরেই নিজের মানসিক কাজ বাইরের কোনো মাধ্যমের ওপর ন্যস্ত করে আসছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।