শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট হাতে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস। নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তন। ৫ অক্টোবর ২০২৬
সেঁজুতি ইসলামের বয়স যখন দুই বছর, তখন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান বাবা শহিদুল ইসলাম। বাবা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে তাদের পরিবারকে প্রতি মাসে দেওয়া হয় চার হাজার টাকা করে। তিন সদস্যের পরিবারে এই টাকায় কিছুই হয় না। আর্থিক অনটনের মধ্যে ভাড়া বাসা ছেড়ে দেন মা ফাতেমা খাতুন। দুই মেয়েকে নিয়ে ওঠেন এক ফুফুর বাসায়। এখনো সেখানেই থাকেন। এমন অভাব–অনটনের মধ্যেও দুই মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে যান ফাতেমা খাতুন।
বড় মেয়ে স্নাতকে অধ্যয়নরত। ছোট মেয়ে সেঁজুতিও একই কলেজে ভর্তি হয়েছে। ফাতেমা খাতুন নিজেও ভীষণ অসুস্থ। মাসে দুই ব্যাগ করে রক্ত নিতে হয়। একটি দাতব্য সংস্থা তাঁকে রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করে। আগামী বছর থেকে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড থেকে টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
এখন দুই মেয়ের পড়ালেখা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফাতেমা খাতুন।মেয়ে সেঁজুতির সঙ্গে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসে পরিবারের এই সংগ্রামের কথা বললেন ফাতেমা খাতুন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।