কমন ব্ল্যাকবার্ড
ভোরে ঘুম ভাঙল পাখির ডাকে। বিছানায় শুয়ে শুয়েই শুনছ। ভেতরটা কেমন হালকা হয়ে গেল। আবার মনে করো গভীর রাতে হঠাৎ কোথাও একটা প্যাঁচা কর্কশ গলায় চেঁচিয়ে উঠল। বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল তোমার। দুটোই পাখির ডাক। অথচ অনুভূতি দুই রকম। এমন হয় কেন?জার্মানির তুবিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষক এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন। গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন জীববিজ্ঞানী নাদিন কালব। সঙ্গে ছিলেন অধ্যাপক ক্রিস্টফ র্যান্ডলার।
কাজটা বড় পরিসরের নয়। তবু ফলাফল ভাবার মতো। ১ সেপ্টেম্বর ফ্রন্টিয়ার্স জার্নালে ছাপা হয়েছে এটা।পরীক্ষার পদ্ধতি সহজ। ৮৪ জন মানুষকে বুনো পাখির ডাকের রেকর্ডিং শোনানো হলো। পাখি ছিল ১২৩ প্রজাতির। প্রতিটা ডাক শুনে তাঁদের নম্বর দিতে হলো, পাঁচের মধ্যে। এরপর নম্বরগুলো ডাকের শব্দের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হলো।প্রথম হলো কমন ব্ল্যাকবার্ড। গড় নম্বর ৪ দশমিক ৫২। এটা ইউরোপের পাখি। বাগান, পার্ক আর বনে খুব দেখা যায়।
ওর গান নরম, ভরাট, বাঁশির মতো সুরেলা।হাতি কিংবা ড্রিল মেশিনের চেয়েও জোরে শব্দ করতে পারে যে পাখিসবার নিচে নামল বার্ন আউল, মানে শিঁয়ালপ্যাঁচা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।