সন্ধ্যা নাগাদ ককরোচ আন্দোলনের বহু নেতা আটক হয়েছেন।
দশ মিনিট পর পর নতুন আপডেট। ঘটনার পর ঘটনা। আটকের পর আটক। শনিবার সকালে ধ্রুব রাঠিকে দিয়ে শুরু। এরপর পর অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কার। এরপর নেহা বোরা।সন্ধ্যা নাগাদ ককরোচ আন্দোলনের বহু নেতা আটক হয়েছেন। আটক হয়েছেন তৃণমূলে কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আটক হয়েছেন আম আদমির কেজরিওয়াল। আটক হয়েছেন সাত হাজারের কাছাকাছি ‘ককরোচ’। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নেহা বোরাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের যন্তর-মন্তরে যাওয়ার কথা ছিল।
১৩ কোটির বেশি নাগরিককে ভোটার তালিকা থেকে বেআইনিভাবে বাদ দেওয়া সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে গারদে পোরার দাবি তুলে তাঁরাই এখন মোদির গারদে।ধ্রুব রাঠির ‘নমস্কার দোস্ত!’ মোদির জন্য কতটা চিন্তার?‘জ্ঞানেশগেট’ কি মোদির জন্য ‘ওয়াটারগেট’ হয়ে উঠতে পারে‘দিল্লি এখন দুর্গ, আর সারা দেশ এক কয়েদখানা’—রাহুল গান্ধীর এই কথার মধ্যে রাজনৈতিক চটকদারি আছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দিল্লি এখন আক্ষরিক অর্থেই অবরুদ্ধ।
সাধারণ লোকজন দিল্লিতে ঢুকতে বা বের হতে পারছেন না।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।