দেয়ালচিত্র ও সুইডেন থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর প্রকাশিত ডাকটিকিট অবলম্বনে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ শুধু ‘রবীন্দ্রবিরোধিতা’ হিসেবে দেখলে সম্ভবত সমস্যাটির গভীরে পৌঁছানো যাবে না। শিল্পকলা একাডেমির সামনে তাঁর প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়া, তাঁকে ঘিরে অবমাননাকর বক্তব্য, তাঁর ইতিহাস ও রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে পুরোনো ও অপ্রমাণিত অভিযোগ নতুন করে প্রচার—এসবের মধ্যে একজন কবির প্রতি বিরাগের চাইতে আরও বেশি কিছু আছে বলে আমার ব্যক্তিগত ধারণা।
রবীন্দ্রনাথ শুধু একজন ব্যক্তি নন, শুধু একজন কবি নন তিনি একটি সাংস্কৃতিক পরিচয়, বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংগীত, বাঙালি জাতিসত্তা এবং শেষ বিচারে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত।
ফলে তাঁর প্রতিকৃতির ওপর আঘাতকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই বরং প্রশ্ন করা উচিত—এই ঘটনার মধ্য দিয়ে কি বাঙালির সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুন করে বিতর্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে না?বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন রবীন্দ্রনাথকে ‘হিন্দু’, ‘ভারতীয়’ বা ‘এই দেশের সংস্কৃতির বাইরের মানুষ’ হিসেবে উপস্থাপন করে বাংলাদেশের মুসলিম পরিচয়ের বিপরীতে দাঁড় করানোর প্রবণতা দেখা যায়।এর মধ্যে একটি পুরোনো রাজনৈতিক বিভাজনের ছায়া স্পষ্ট—বাঙালি সংস্কৃতি বনাম ইসলামি সংস্কৃতি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।