তুমি আমায় বড্ড নিয়ন্ত্রণ করো—উঠতে, বসতে, হাঁটতে-চলতে,আমায় তোমার আঁকা সরলরেখায় চলতে হয়।নিয়ন্ত্রণের বাইরে একটা কিবোর্ডও চাপা যায় না,লিখি আর মুছি নিজের জীবনগাথা;একটা একটা ব্যাকস্পেসে মুছে যায়বুকের ভেতর জমে থাকা সমুদ্র-সফেন।পিচঢালা কংক্রিটের নির্দয় সড়ক,কিংবা সমুদ্রতীরের রোদে তপ্ত বালি—সবখানে মাড়িয়ে চলে আমার এক জোড়া যন্ত্রবৎ পা।আমার হাসিতেও আঁকা থাকে তোমার পরিমাপ,স্বপ্নেও হানা দেয় কোনো অদৃশ্য শৃঙ্খল।আমি কি তবে এক জ্যান্ত পুতুল কেবল?যার সুতো বাঁধা তোমারই কঠোর আঙুলে?কথা ছিল ডানা মেলে মেঘের দেশে ভাসার,অথচ আমার সীমানা জুড়ে এখন কেবলই কাঁটাতার।তোমার বানানো নিয়ম আর নিষেধের ঘানি টেনে—আমি ভুলতে বসেছি আমার নিজস্ব রং, আমার নিজস্ব স্বর।তবু কিবোর্ডের আড়ালে জমে থাকা এই না-বলা হরফগুলো,একদিন হয়তো ভেঙে ফেলবে তোমার সব অলিখিত অনুশাসন।যন্ত্রবৎ পায়ের তলায় ফেটে চৌচির হবে এই পিচঢালা খাঁচা,শৃঙ্খল ছিঁড়ে রক্তে ভেসে উঠবে আমার বেঁচে থাকার নাম।একদিন হয়তো সব ব্যাকস্পেস মুছে যাবে,থেমে যাবে এই বাধ্য চরণের হাঁটা;সেদিন কি তুমি পাবে তোমার কাঙ্ক্ষিত জয়,নাকি শূন্যতায় ঢাকা পড়বে এই মিথ্যে নিয়ন্ত্রণ?
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।