ব্যভিচার শুধু ব্যক্তিগত পাপ নয়; এর ক্ষত পৌঁছে যায় পরিবার, সমাজ ও পরবর্তী প্রজন্মে।
একটি অবৈধ সম্পর্ক ভেঙে দিতে পারে একটি পরিবার, নষ্ট করতে পারে পারস্পরিক বিশ্বাস এবং তৈরি করতে পারে সামাজিক অস্থিরতা।তাই ব্যভিচার প্রতিরোধ শুধু অপরাধ দমনের বিষয় নয়; এটি নৈতিকতা ও পারিবারিক স্থিতি রক্ষারও প্রশ্ন।ইসলামের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, ব্যভিচার সংঘটিত হওয়ার পর শুধু শাস্তির কথা বলা হয়নি; বরং মানুষ যে পথ ধরে ধীরে ধীরে এ অপরাধের দিকে এগিয়ে যায়, সেই পথও বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।মানুষের অন্তর, দৃষ্টি, পোশাক, কথাবার্তা, নারী-পুরুষের সম্পর্ক এবং বিবাহব্যবস্থাকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নৈতিক কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে।
নবীজির নির্দেশনায় তাই ব্যভিচার প্রতিরোধের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা পাওয়া যায়।১. তাকওয়া: প্রতিরোধের প্রথম প্রাচীর রাসুল (সা.) এমন মানুষ তৈরি করতে চেয়েছেন, যে শুধু মানুষের চোখকে ভয় করবে না; বরং নির্জনেও আল্লাহকে ভয় করবে।আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা না দেখেও তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার’ (সুরা মুলক, আয়াত: ১২)ইতিহাসবিদ ডব্লিউ. মন্টগোমারি ওয়াট উল্লেখ করেছেন যে শাস্তির ভয় ও পুরস্কারের আশা ব্যক্তিকে ভেতর থেকে নৈতিক নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।