চামচঠুঁটো বাটান, সোনাদিয়া দ্বীপে
গত শীতে গিয়েছিলাম সোনাদিয়া দ্বীপে। তিন প্রজাতির বিরল পরিযায়ী দেখার আশায়। এগুলো হলো চামচঠুঁটো বাটান, বড় নট আর নর্ডম্যানের সবুজ পা। তিনটিরই দেখা পেয়েছি, তবে সময় লেগেছে দুই দিন। তিনটি পাখিই এখন মহাবিপদে আছে। বিশ্বব্যাপী বিপন্ন পাখির তালিকায় স্থান পাওয়া এই তিন প্রজাতিকে এখনো সোনাদিয়ায় দেখা গেলেও একেবারে সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।২০০৬ সাল থেকে নিয়মিত সোনাদিয়ায় পাখি দেখতে যাই। গত ২০ বছরে দ্বীপটির অনেক পরিবর্তন হয়েছে।
মানুষের বিচরণ বেড়েছে। কাদাচরও আগের তুলনায় বেড়েছে, কিন্তু কাদাচরের পাখি বাড়েনি।সোনাদিয়ায় মূলত যাওয়া হয় সৈকত পাখির ঝাঁক দেখতে। এখনো এখানে হাজার হাজার সৈকত পাখির দেখা মেলে; সব মিলিয়ে প্রতি শীতে ৭ থেকে ১০ হাজার পরিযায়ী পাখি দেখা যায় এই দ্বীপে। তবে সম্প্রতি সায়েম চৌধুরী তাঁর এক গবেষণাপত্রে দেখিয়েছেন, সোনাদিয়াসহ উপকূলজুড়ে পরিযায়ী সৈকত পাখির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে।
২০ প্রজাতির সৈকত পাখির তুলনামূলক বিশ্লেষণে তিনি দেখেছেন, এর মধ্যে ১২ প্রজাতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা আমাদের দেশের জন্য মোটেই ভালো খবর নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।