ময়না যখন খাঁচায় থাকে, তখন সেও কথা বলে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চায়
ময়না মানুষের কথা নকল করতে পারে। গ্রামবাংলার উঠান থেকে শহরের বারান্দা, অনেক বাড়িতেই এমন ময়না ছিল, যেটা মানুষের কথা শুনে শুনে আবার বলত। কখনো ‘কে রে?’। কখনো ‘কেমন আছো?’। শুনলে মনে হতো পাখিটি বুঝি সত্যিই মানুষের ভাষা বোঝে। তবে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায় বন্য প্রাণীর গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষ এখন জানে। বনের পাখিকে তাই আইন করে খাঁচায় আটকে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনোভাবেই এখন ময়নাকে খাঁচায় আটকে রাখা যাবে না।
কথা শেখানোর চেষ্টা করা যাবে না। কেউ যদি করে, তবে বন্য প্রাণী সুরক্ষা বিভাগকে জানাতে হবে।কিন্তু ময়নাকে আগে মানুষ কথা শেখাত। এই পাল্লায় পড়ে এখন ময়নাকে আর প্রকৃতিতে সচরাচর দেখা যায় না। প্রশ্ন হলো, ময়না মানুষের গলায় কথা শিখত কীভাবে?উত্তরটা লুকিয়ে আছে ওর শরীরের ভেতর। ওর আছে বিশেষ একটি শব্দ তৈরির অঙ্গ। আছে আলাদা ধরনের শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা।
আর আছে শব্দ শুনে তা শেখার মতো মস্তিষ্ক।মানুষের কথা বলার সময় শব্দ তৈরি হয় ল্যারিংক্স বা স্বরযন্ত্রে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।