বিক্ষোভে ক্ষতিগ্রস্ত ম্যাকডোনাল্ডসের একটি ক্ষতিগ্রস্ত রেস্তোরাঁর সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন মানুষ। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
চলমান সহিংসতা মোকাবিলায় নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করেছে ফ্রান্স সরকার। আগামী শনিবার দেশটিতে আবার বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে পুলিশের পাশাপাশি এবার সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।গতকাল মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে এ পদক্ষেপের কথা জানানো হয়।ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বলেন, শনিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে।
১৭ অক্টোবর প্যারিস, মার্সেই, লিওঁসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক দাঙ্গা ও লুটপাট চলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। উত্তাল ফ্রান্স, কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি পার্লামেন্টে উত্তপ্ত বিতর্কের মধ্যে ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ বলেন, পুলিশের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঠে থাকবে সামরিক বাহিনী।বিদ্যমান সংকটকে ‘সহিংসতা বনাম প্রজাতন্ত্রের’ লড়াই হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী।
সহিংসতার জন্য তিনি অতি–বামপন্থী দলগুলোকে দায়ী করেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।