অলকরণ: মাসুক হেলাল
এসএসসি পরীক্ষার পর অপূর্ব নিজ বাড়িতে অলস সময় পার করছিল। সংসারের একমাত্র ছেলে। মা–বাবার অনেক আদরের। ছোট দুই বোন আছে, বয়সের ব্যবধান ১০–১২ বছর। বাবা হাইস্কুলশিক্ষক, অল্প বেতনের চাকরি, মা পরিবারের প্রধান; কারণ, সীমিত আয়ের সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার মা-ই করতে পারেন। বাবা রশিদ সাহেব ছোট চাকরি করলেও সংসারে ততটা অভাব অভিযোগ নেই। রশিদ সাহেবের বাপ–দাদা প্রায় জমিদারের কাছাকাছি ছিলেন, জমিজমা ভালোই ছিল।
বিভিন্ন উপলক্ষে জমি বিক্রির প্রয়োজন পড়ে, তারপরও যা আছে, তা দিয়ে সংসার ভালোই চলে যাচ্ছে।রশিদ সাহেব চাকরি থেকে ঘরে ফিরে আসেন, কিন্তু অতটা বিশ্রামের প্রয়োজন বোধ করেন না। সামান্য নাশতা–পানি খেয়ে গেঞ্জি গায়ে বেরিয়ে পড়েন সবজিখেত পরিচর্যা করতে। কী নেই তাদের বাড়ির উর্বর জমিতে, কাঁচা মরিচ, শিম, টমেটো কোনো কিছুই কিনতে হয় না। বাড়িটিও অনেক বড়, বিশাল আকারের দুটি বড় পুকুর, মাছের পরিপূর্ণ জোগান আসে বাড়ির পুকুর থেকেই।
মোটাদাগে শাকসবজি, তরিতরকারি পুরোটাই আবাদ হয়, ফলফলাদিরও কোনো অভাব হয় না।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।