সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তঘেঁষা সোনাবাড়িয়া গ্রামে শ্যামসুন্দর মন্দির। এটি সোনাবাড়িয়া মঠ বা মঠবাড়ি নামেও পরিচিত। ১১ সেপ্টেম্বর তোলা
পুরোনো ইটের গায়ে কোথাও টেরাকোটার নকশা ক্ষয়ে গেছে, কোথাও জমেছে শেওলা। দেয়ালের আস্তরণ খসে পড়েছে, ক্ষয়ে গেছে ইটের সিঁড়ি। গাছের শিকড় নেমে এসেছে দেয়াল বেয়ে। নেই সুরক্ষিত সীমানাপ্রাচীর। অরক্ষিত এই পরিবেশের মধ্যেই কয়েক শ বছরের ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মন্দিরটি।মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়ে ভেতরে ঢুকতে হয়। মেঝেতে ছড়িয়ে আছে খসে পড়া ইট ও বালু। ইটের সিঁড়ি বেয়ে দোতলা ও তৃতীয় তলায় ওঠা যায়।
তবে ওপরের সিঁড়িগুলো এতটাই ক্ষয়ে গেছে যে প্রতিটি ধাপে পা ফেলতে হয় সাবধানে। দেয়ালের কারুকাজ ও টেরাকোটার অলংকরণের অনেকটাই সময়ের ক্ষয়ে মলিন হয়ে গেছে।১১ সেপ্টেম্বর সকালে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তঘেঁষা সোনাবাড়িয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিনের অযত্নে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে ঐতিহাসিক শ্যামসুন্দর মন্দিরটি। স্থানীয়ভাবে এটি সোনাবাড়িয়া মঠ বা মঠবাড়ি নামেও পরিচিত।
স্থাপত্যশৈলী ও ইতিহাসের দিক থেকে এটি এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তিগুলোর একটি।দক্ষিণমুখী মন্দিরটির পূর্ব পাশের দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই অন্ধকার।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।