পাবলো নেরুদার (১২ জুলাই ১৯০৪—২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩)
পাবলো নেরুদার কাব্যকীর্তি বিশ্লেষণ কোনো সহজ কাজ নয়। তাঁর কাব্যপরিসরের বিশালতা, জীবনাভিজ্ঞতার বিপুলতা, সেই সঙ্গে স্বভূমি তথা লাতিন মহাদেশের ইতিহাসের যে ট্র্যাজিক অভিঘাতের তিনি বাহক—সব মিলিয়ে এমন প্রসারতা ও গভীরতা বহন করে পাবলো নেরুদার কবিতা, যার আস্বাদ গ্রহণ কোনো অনায়াস–সাধ্য বিষয় নয়। বাঙালি পাঠকের সঙ্গে নেরুদার পরিচিতি তাঁর সাম্যবাদী আদর্শ ও আন্তর্জাতিকতাবাদী ভূমিকা গ্রহণের সঙ্গে জড়িত।
বিশ্বমানবের মুক্তি-আকুতি ও লড়াইয়ের সুবাদে ঘটে প্রাথমিক এই পরিচিতি। বিগত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে এই পরিচয়ের সূচনা মূলত মুক্তিসংগ্রামের কবি হিসেবে। পল রোবসন, পাবলো পিকাসো, নাজিম হিকমত, হাওয়ার্ড ফাস্ট ও পাবলো নেরুদা—এই নামগুলো উচ্চারিত হতো একসূত্রে। নেরুদার এমন পরিচিতি যুক্তিসংগত বটে, তবে সেটা কোনোভাবে পূর্ণ পরিচিতি নয়।
নেরুদা কত গভীরভাবে জড়িয়ে ছিলেন লাতিন আমেরিকার ইতিহাসের ভিন্ন বাস্তবতার সঙ্গে, জীবনের প্রতি ভালোবাসা ও নারীর প্রতি প্রেম কীভাবে মিলেমিশে ছিল তাঁর সত্তায়, কীভাবে তিনি হয়ে উঠলেন একটি মহাদেশের কণ্ঠস্বর, আবার একই সঙ্গে আন্দেজের চাষি ও সালফার খনির কুঞ্চিতচর্ম শ্রমিকের আকুতির বাহক, মাচু পিচুর নব-আবির্ভূত প্রাচীন সভ্যতার সুপ্ত কণ্ঠস্বর—এসবের মিলিত সত্তার কবিকে বোঝা সহজ নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।