‘ইয়ুর্গেন হেবারমাস ইন আ ফ্র্যাকচার্ড ওয়ার্ল্ড: ডেমোক্রেসি, পাবলিক স্ফিয়ার অ্যান্ড দ্য ফিউচার অব ক্রিটিক্যাল রিজন’ শীর্ষক সেমিনারে আলোচকেরা। ঢাকার ধানমন্ডিতে গ্যেটে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মিলনায়তনে, ২২ সেপ্টেম্বর
স্বৈরাচারের পতনের পর শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়; সমাজের নানা সংকট নিয়েও মানুষের মধ্যে সংলাপ প্রয়োজন। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারে যুক্তিনির্ভর আলোচনা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জার্মান দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ইয়ুর্গেন হেবারমাসকে নিয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক স্মরণ সিম্পোজিয়ামে বক্তাদের আলোচনায় এ কথা উঠে আসে।
‘ইয়ুর্গেন হেবারমাস ইন আ ফ্র্যাকচার্ড ওয়ার্ল্ড: ডেমোক্রেসি, পাবলিক স্ফিয়ার অ্যান্ড দ্য ফিউচার অব ক্রিটিক্যাল রিজন’ শীর্ষক দিনব্যাপী এ সিম্পোজিয়াম বৃহস্পতিবার ঢাকার ধানমন্ডিতে গ্যেটে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বাঙলার পাঠশালা ফাউন্ডেশন এ আয়োজন করে।
সহযোগিতায় ছিল গ্যেটে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ, ফ্রিডরিখ-এবার্ট-স্টিফটুং বাংলাদেশ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।সিম্পোজিয়ামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অনারারি অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ তাঁর ‘নিওলিবারেলিজম, দ্য ট্রান্সফরমেশন অব দ্য পাবলিক স্ফিয়ার অ্যান্ড ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ: আ হেবারমাসিয়ান-ফ্রেজেরিয়ান অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক প্রবন্ধে বাংলাদেশে ২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের যোগাযোগগত দিক তুলে ধরেন।অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন বলেন, গণ–অভ্যুত্থানের সময় ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভিডিও কিং...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।