এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬৪ শতাংশ প্রধান নির্বাহী এখন এআই-নির্ভর তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বড় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কীভাবে আধুনিক অর্থ ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তকে বদলে দিচ্ছে, তা নিয়ে কিছুদিন আগে দেশের একদল শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে একটি এআই কর্মশালায় কথা হচ্ছিল। আলোচনার একপর্যায়ে একজন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) উদ্বেগের সঙ্গে প্রশ্ন তুললেন, ‘এআই কি শেষ পর্যন্ত আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেড়ে নেবে?’উত্তরটি আসলে উল্টো দিক থেকে দেখা প্রয়োজন।
এআই মানুষের আর্থিক বিচক্ষণতাকে প্রতিস্থাপন করে না; বরং সেটিকে আরও শাণিত ও নিখুঁত করে তোলে।
বিশ্বজুড়ে শীর্ষ করপোরেট নির্বাহীদের কাছে প্রশ্নটি এখন আর কোনো তাত্ত্বিক কিংবা কাল্পনিক বিষয় নয়; এটি তাঁদের প্রাত্যহিক কার্যপরিচালনার এক বাস্তব তাগিদ।এআই কি আমাদের হয়ে বেশি চিন্তা করছে?এআই যুগের শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুতি কি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে শুরু হবেএআই যেভাবে ডিজিটাল সেবায় বৈষম্য ও ভোগান্তি ঘুচাতে পারেআইবিএম ইনস্টিটিউট ফর বিজনেস ভ্যালু ও অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের যৌথ পরিচালনায় ৩৩টি দেশের দুই হাজার প্রধান নির্বাহীর ওপর চালানো ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক সিইও স্টাডি অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭৬ শতাংশেই এখন একজন ডেডিকেটেড ‘প্রধান এআই কর্মকর্তা’ (চিফ এআই অফিসার) রয়েছেন, অথচ মাত্র এক বছর আগেও এই হার ছিল ২৬ শতাংশ; অর্থাৎ বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।