দামে কম। সহজলভ্য। পুষ্টিকর। এমন যত খাবার আছে, তার মধ্যে ডিম অন্যতম। হতে পারে সেটা হাঁস কিংবা মুরগির ডিম। ডিম পছন্দ করে না, এমন মানুষ কমই আছে। কিন্তু আমাদের দেশে একজন মানুষের বছরে যতটি ডিম খাওয়া দরকার, ততটি খায় না। ডিমের প্রতি একধরনের অবহেলা-অনাদর চলে। বাসায় মাছ-মাংস নেই, তখন ডিম রান্না করো। কিন্তু ডিম যে সকালের নাশতায় থাকা জরুরি, সেটা আমরা অনেকেই ভুলে যাই।বাংলাদেশে ডিমের উৎপাদন অবশ্য দিন দিন বাড়ছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে ডিম উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ৪৪০ কোটি ৬৫ লাখ। এ সময়ে জনপ্রতি ডিমের প্রাপ্যতা দাঁড়িয়েছে বছরে ১৩৭ দশমিক ১৯টি। ২০১০–১১ অর্থবছরে যেখানে ডিম উৎপাদন ছিল ৬০৭ কোটি ৮৫ লাখ, সেখানে ১৪ বছরে উৎপাদন প্রায় চার গুণ হয়েছে।শুধু তা-ই নয়। ডিম নিয়ে আছে ব্যাপক ভুল ধারণা। অনেকেই কুসুম ফেলে শুধু ডিমের সাদা অংশ খাচ্ছেন। একটা চাপা ভয় কাজ করে—ডিমে তো অনেক ফ্যাট। খেলে কী জানি কী হয়?
ডিমের প্রায় সব ভিটামিন, খনিজ ও প্রোটিন থাকে কুসুমে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।