অলংকরণ: মাসুক হেলাল
প্রেমের গল্প লিখতে হবে ভাবলেই আমার গায়ে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। বলতে ইচ্ছে করে,প্রেমের গল্প লিখতে আমায় কহ যে, বিশুদ্ধ প্রেম যায় কি পাওয়া সহজে?ওরহান পামুকের লেখা ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ দেখছিলাম নেটফ্লিক্সে, সত্তর দশকের ইস্তাম্বুল শহরে ধনবান ও অভিজাত বংশের কেমালের সঙ্গে ফুসুন নামের সাধারণ নিম্নবিত্ত কিন্তু প্রাণবন্ত সুন্দর লাবণ্যময়ী এক তরুণীর তুমুল শরীরি প্রেম। কেমালের আবার আরেকজন বাগদত্তা ছিল।
সে কথা ফুসুনেরও জানা ছিল, তা সত্ত্বেও তাদের গভীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। কেমালের আগের সম্পর্ক ভেঙে যায়। ফুসুনও আরেকজনকে বিয়ে করে। ঘটনার আরও নানা বাঁক পেরিয়ে কেমাল এক সময় মন্তব্য করে, ‘মানুষকে মনে করিয়ে দিতে চাই, প্রেম হচ্ছে একটা গভীর বিবেচনাবোধ ও সূক্ষ্ম আবেগময় কোমলতা।’ ইংরেজিতে যাকে বলে, ডিপ কনসিডারেশন ও টেন্ডারনেস।
সেইটাই আজকাল কেন যেন পাওয়া যায় না।আমাদের এক সিনিয়র বন্ধু বলত, ‘প্রেমের মধ্যে পুরাই ভেজাল ঢুইক্যা গেছে, দুধে যেমন পানি মিশাইলে পাতলা হইয়া যায়, প্রেমের ঘনত্বও এখন প্রতারণা, লালসা আর স্বার্থপরতা মিশে কেমন হালকা পানসে হয়ে গেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।