অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত গবেষণা গ্রন্থ পিপলস মিশন টু দ্য অটোম্যান এম্পায়ার: এম এ আনসারি অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান মেডিকেল মিশন, ১৯১২–১২। ছবিতে দুই ভাই মোহাম্মদ আলী ও এম এ আনসারি। ১৯১২ সালের প্রথম বলকান যুদ্ধের সময় ভারতীয় মুসলিম সমাজের উদ্যোগে ডা. মুখতার আহমেদ আনসারির (এম এ আনসারি) নেতৃত্বাধীন একটি চিকিৎসা মিশন তুরস্কে যায়
ভারত–তুরস্ক সম্পর্ক বুঝতে হলে শুধু কাশ্মীর, পাকিস্তান কিংবা রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সাম্প্রতিক অবস্থানের দিকে তাকালে হবে না। এর পেছনে কাজ করে ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতি, তুরস্কের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির আকাঙ্ক্ষা এবং বদলে যাওয়া আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা। তুরস্কের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মুদাসসির কামারের তুর্কিয়ের ফরেন পলিসি আন্ডার দ্য একেপি: ইমপ্লিকেশনস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস ফর ইন্ডিয়া এই জটিলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ দেয়।
ভারতীয় গবেষক ও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম এশিয়া অধ্যয়ন কেন্দ্রের সহযোগী অধ্যাপক মুদাসসির কামারের সম্প্রতি প্রকাশিত এই বইটিতে তুরস্কের পররাষ্ট্রনীতির কাঠামোগত ভিত্তির পাশাপাশি কয়েকটি বিশেষ প্রবণতার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে আছে ‘কৌশলগত গভীরতা’ বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে শূন্য-সমস্যার নীতি, ‘ব্লু হোমল্যান্ড’ বা সমুদ্রকেন্দ্রিক কৌশল, এরদোয়ানের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক প্রভাব, প্যান-ইসলামবাদ এবং নব্য-উসমানীয় ভাবনা।
কামারের বিশ্লেষণে, তুরস্ক নিজেকে শুধু ইউরোপের একটি দেশ বা ন্যাটোর সদস্য হিসেবে দেখে না।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।