advertisement
advertisement

গবেষণাপত্রে মিল মানেই কারও লেখা মেরে দেওয়া নয়


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
গবেষণাপত্রে মিল মানেই কারও লেখা মেরে দেওয়া নয়

প্রতীকী ছবি

advertisement

একজন শিক্ষার্থী তাঁর থিসিস জমা দেওয়ার আগে টার্নিটিনে পরীক্ষা করলেন। টার্নিটিন হচ্ছে প্লেজিয়ারিজম বা লেখা চুরি শনাক্তকরণ সফটওয়্যার। এখন রিপোর্টে দেখা গেল, সিমিলারিটি বা মিল ৮ শতাংশ। তিনি স্বস্তি পেলেন, ‘মাত্র ৮ শতাংশ, তাই কোনো সমস্যা নেই।’ অন্যদিকে, আরেকজন গবেষকের গবেষণাপত্রে সিমিলারিটি ৩০ শতাংশ হওয়ায় প্রশ্ন উঠল, ‘এত বেশি মিল, নিশ্চয়ই প্লেজিয়ারিজম বা কুম্ভীলকবৃত্তি হয়েছে!’ কিন্তু ৮ শতাংশ কি সত্যিই নিরাপদ?

আর ৩০ শতাংশ কি সত্যিই প্লেজিয়ারিজমের প্রমাণ?দুটি ধারণাই ভুল হতে পারে। কারণ, সিমিলারিটি বা লেখার মিল এবং প্লেজিয়ারিজম বা কুম্ভীলকবৃত্তি এক জিনিস নয়। সিমিলারিটি হলো জমা দেওয়া কোনো লেখার সঙ্গে বিদ্যমান বিভিন্ন উৎসের পাঠ্যগত মিলের একটি পরিমাপ। আর প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের লেখা, ধারণা, তথ্য বা বুদ্ধিবৃত্তিক অবদান যথাযথ স্বীকৃতি ছাড়া নিজের বলে উপস্থাপন করা, যা একটি নৈতিক ও একাডেমিক লঙ্ঘন।

প্রথমটি সফটওয়্যার শনাক্ত করতে পারে; দ্বিতীয়টি নির্ধারণ করতে প্রয়োজন প্রেক্ষাপটনির্ভর মানবিক বিচার।গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি: আমাদের উচ্চশিক্ষায় যেসব গলদ দূর করতে হবে তাহলে প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়, ‘কত শতাংশ মিল গ্রহণযোগ্য?’ বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত, ‘মিল কোথায়, কীভাবে এবং কেন তৈরি হয়েছে?’টার্নিটিন বা আইথেনটিকেটের মতো শনাক্তকরণ সফটওয়্যার জমা দেওয়া লেখাকে বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে তুলনা করে; মিল পাওয়া শব্দ, বাক্য বা অংশ শনাক্...

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর